রাজধানীর রামপুরায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত মো. শিহাব হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এই আদেশ দেন।
পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই সাইফুল ইসলাম শিহাবকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এই নির্দেশ দেন।
এদিকে, শিহাবের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার এক ছাত্রের বাবা তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গত শনিবার শিহাবকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন রামপুরা থানার এসআই একরামুল হক। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আগামী ২ জুনের দিন ধার্য করেছেন।
গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বনশ্রীর আলোকিত কোরআন হিফজ মাদ্রাসায় মোট ৫৮ জন ছাত্র রয়েছে। শিহাব সেখানে দুই বছর ধরে পড়াশোনা করছে। সে মাদ্রাসার চার ছাত্রের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করার প্রস্তাব দেয়। এদের মধ্যে একজন বিষয়টি তার অভিভাবককে জানায়। এরপর তাকে সতর্ক করে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। কিন্তু গত ১০ মার্চ সে সেখানকার ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণ করে। তদন্তে পুলিশ আরও দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রমাণ পায়। গত ১৯ মে রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, গত ১৮ মে রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদনে পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়। শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন ২০ মে রামপুরা থানায় শিহাব ও নাম না জানা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















