পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় জাফর এক্সপ্রেসের একটি শাটল ট্রেনকে লক্ষ্য করে রবিবার সকাল আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে এই আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। কোয়েটা সেনানিবাস স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শক্তিশালী বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই হামলায় নারী ও শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে, এবং অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও অন্তত ৮২ জন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সাথে তিনি এই হামলায় গুরুতর আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, নিরীহ মানুষের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং কোনো আদর্শই এই ধরনের সহিংসতাকে বৈধতা দিতে পারে না।
এই কঠিন ও সংকটময় সময়ে পাকিস্তানের সরকার ও সাধারণ জনগণের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর সংহতি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা সুরক্ষায় যেকোনো ধরনের উগ্রবাদ রুখে দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করারও আহ্বান জানানো হয় এই বার্তায়।
রিপোর্টারের নাম 
























