ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চিপস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। ভুক্তভোগী শিশুটি সরাইল উপজেলার এক সৌদি প্রবাসীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের শিক্ষার্থী।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহিদুল মিয়া পলাতক রয়েছে। সে একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর মা জানান, শনিবার দুপুরে তার সন্তান বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদুল মিয়া চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। পরে অভিযুক্ত সহিদুল নিজেই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায়। এক পর্যায়ে সে অসুস্থ হলে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত গাইনি বিভাগের চিকিৎসক কাজী লুৎফুর নাহার লুৎফা বলেন, শিশুটির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, শিশুটির শারীরিক নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ৯৯৯-এর মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রিপোর্টারের নাম 
























