ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণে ব্ল্যাকমেইলিং: স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কারাবাস

শ্যালিকাকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাফসান জানি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শনিবার রাতে যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়। রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনার অজুহাতে এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা. রাফসান জানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি শ্যালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং সেই দৃশ্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানেও ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে নানা ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী অবশেষে মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই ডা. রাফসান জানি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে উপশহরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় ৫০ অসহায় পরিবারে নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণ

শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণে ব্ল্যাকমেইলিং: স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কারাবাস

আপডেট সময় : ০২:৫৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

শ্যালিকাকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাফসান জানি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শনিবার রাতে যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়। রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনার অজুহাতে এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা. রাফসান জানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি শ্যালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং সেই দৃশ্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানেও ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে নানা ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী অবশেষে মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই ডা. রাফসান জানি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে উপশহরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।