প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে কম্বোডিয়ায় পাচার হওয়া ৩৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি নারী অবশেষে দেশে ফিরছেন। একটি স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি থাকা অবস্থায় সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। মন্ত্রীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে তাকে উদ্ধারের পর দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, উচ্চ বেতনের আশায় গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে কম্বোডিয়া গিয়েছিলেন ওই নারী। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে তাকে একটি অনলাইন স্ক্যাম সেন্টারে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতারণা ও আর্থিক জালিয়াতির কাজ করতে বাধ্য করা হতো। কয়েক দফা চেষ্টার পর গত ২০ মে তিনি সেখান থেকে পালাতে সক্ষম হন এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি মন্ত্রীর কাছে সাহায্য চান।
মন্ত্রীর নির্দেশে ব্যাংককস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তাকে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, প্রবাসীদের কল্যাণে মন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের সুফল পাচ্ছেন অন্যান্য দেশের কর্মীরাও। সম্প্রতি ইরাকে সাতজন বাংলাদেশি কর্মীর পাসপোর্ট জবরদস্তি করে আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়ার পর দূতাবাসের হস্তক্ষেপে তাদের পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্যাতিত আরও দুই প্রবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে।
রিপোর্টারের নাম 






















