ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড়: লোকসানের হিসাব দিলো বিতরণ কোম্পানিগুলো

পাইকারি দরের পর এবার গ্রাহক পর্যায়েও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির জোর দাবি জানিয়েছে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে পিডিবি, আরইবি, ডিপিডিসি ও ডেসকোসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো তাদের ক্রমবর্ধমান আর্থিক ঘাটতির চিত্র তুলে ধরেছে। কোম্পানিগুলোর দাবি, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় তাদের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, বর্তমান ট্যারিফ বজায় থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা করে ঘাটতি হতে পারে। অন্যদিকে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা লোকসানের কথা জানিয়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৯৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া ডিপিডিসিও তাদের বিপুল পরিমাণ বার্ষিক ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মূল্য সমন্বয়ের আবেদন জানিয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ভোক্তা অধিকার প্রতিনিধিরা। তারা বলছেন, সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের বোঝা না চাপিয়ে সিস্টেম লস কমানো এবং অব্যবস্থাপনা দূর করা জরুরি। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরু থেকেই পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এই প্রক্রিয়া নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা ও শুনানি চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বাঘাইছড়িতে গ্রেপ্তার

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড়: লোকসানের হিসাব দিলো বিতরণ কোম্পানিগুলো

আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

পাইকারি দরের পর এবার গ্রাহক পর্যায়েও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির জোর দাবি জানিয়েছে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে পিডিবি, আরইবি, ডিপিডিসি ও ডেসকোসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো তাদের ক্রমবর্ধমান আর্থিক ঘাটতির চিত্র তুলে ধরেছে। কোম্পানিগুলোর দাবি, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় তাদের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, বর্তমান ট্যারিফ বজায় থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা করে ঘাটতি হতে পারে। অন্যদিকে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা লোকসানের কথা জানিয়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৯৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া ডিপিডিসিও তাদের বিপুল পরিমাণ বার্ষিক ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মূল্য সমন্বয়ের আবেদন জানিয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ভোক্তা অধিকার প্রতিনিধিরা। তারা বলছেন, সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের বোঝা না চাপিয়ে সিস্টেম লস কমানো এবং অব্যবস্থাপনা দূর করা জরুরি। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরু থেকেই পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এই প্রক্রিয়া নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা ও শুনানি চলছে।