ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সরকারি ঋণের চাপে ব্যবসা, অর্থনীতিতে বাড়ছে ‘ক্রাউডিং আউট’ শঙ্কা

দেশের অর্থনীতি এমন এক পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সরকারের ক্রমবর্ধমান ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট, ব্যাংক খাতে খেলাপিঋণের চাপ এবং রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সামনে এসেছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এবার বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বেসরকারি খাতকে আবারও বিনিয়োগে উৎসাহিত করা। কারণ বর্তমানে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপের মধ্যে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি এখনো উচ্চ পর্যায়ে, ব্যবসার খরচ বেড়েছে, আর উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, বর্তমানে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি, সুদের হার এবং বিনিময় হারের মধ্যে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। তার মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং বিনিময় হারও পুরোপুরি বাজারভিত্তিক নয়। ফলে অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা আসছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক সংকেত। ব্যবসা সম্প্রসারণ কমে যাচ্ছে, নতুন শিল্প স্থাপনের হার কমছে এবং উৎপাদন সক্ষমতাও সংকুচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে, যা গত ২৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কয়েক মাস আগেও এই হার ছিল ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ নতুন ঋণপ্রবাহ দ্রুত কমে যাচ্ছে। মার্চ শেষে বেসরকারি খাতে মোট ঋণের স্থিতি প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছালেও নতুন বিনিয়োগের গতি কমে গেছে। ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অনেক বড় শিল্পগোষ্ঠী তাদের কার্যক্রম সীমিত করেছে, কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম উৎপাদন করছে।

বর্তমানে শিল্পঋণের সুদহার অনেক ক্ষেত্রে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, এ ধরনের সুদে উৎপাদনমুখী শিল্প পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন। অর্থনীতিবিদদের মতে, সুদের হার বৃদ্ধি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, আমদানি খরচ বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যবসার ব্যয় এতটাই বেড়েছে যে নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ কমে গেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো খেলাপিঋণের চাপ এবং সরকারি ঋণের চাহিদার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে আগ্রহ হারাচ্ছে।

অর্থনীতির সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা এখন সরকারের ঋণনির্ভরতা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সরকার ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেলেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকায়। শুধু এক বছরের ব্যবধানে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা এই পরিস্থিতিকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলে অভিহিত করছেন। অর্থাৎ সরকার যখন ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ধার নেয়, তখন বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যায়। বর্তমানে সরকার উচ্চ সুদে ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রি করছে। ব্যাংকগুলোর কাছে এটি ঝুঁকিমুক্ত ও লাভজনক বিনিয়োগ হওয়ায় তারা শিল্প ও ব্যবসায় ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে সরকারি সিকিউরিটিজে বেশি বিনিয়োগ করছে। ফলে ব্যাংকের আয় বাড়লেও উৎপাদনশীল খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির গতি কমে যাচ্ছে।

রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতিও সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ ও বাজেট সহায়তার প্রবাহও প্রত্যাশিত মাত্রায় আসছে না। ফলে সরকার পরিচালন ব্যয়, ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়ন প্রকল্প চালাতে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভর করছে। জাহিদ হোসেন মনে করেন, সরকার আপাতত সহজ সমাধান হিসেবে ব্যাংক ঋণের পথ বেছে নিচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি বেসরকারি বিনিয়োগ আরও সংকুচিত করতে পারে এবং অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, করজাল সম্প্রসারণ, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা, খেলাপিঋণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বেসরকারি খাতের জন্য সাশ্রয়ী ঋণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তারা বলছেন, শুধু বড় বাজেট ঘোষণা করলেই হবে না, বরং বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় সরকারি ঋণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং কর্মসংস্থান সংকট আগামী দিনে আরও বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

সরকারি ঋণের চাপে ব্যবসা, অর্থনীতিতে বাড়ছে ‘ক্রাউডিং আউট’ শঙ্কা

আপডেট সময় : ০১:১৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

দেশের অর্থনীতি এমন এক পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সরকারের ক্রমবর্ধমান ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট, ব্যাংক খাতে খেলাপিঋণের চাপ এবং রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সামনে এসেছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এবার বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বেসরকারি খাতকে আবারও বিনিয়োগে উৎসাহিত করা। কারণ বর্তমানে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপের মধ্যে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি এখনো উচ্চ পর্যায়ে, ব্যবসার খরচ বেড়েছে, আর উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, বর্তমানে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি, সুদের হার এবং বিনিময় হারের মধ্যে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। তার মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং বিনিময় হারও পুরোপুরি বাজারভিত্তিক নয়। ফলে অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা আসছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক সংকেত। ব্যবসা সম্প্রসারণ কমে যাচ্ছে, নতুন শিল্প স্থাপনের হার কমছে এবং উৎপাদন সক্ষমতাও সংকুচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে, যা গত ২৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কয়েক মাস আগেও এই হার ছিল ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ নতুন ঋণপ্রবাহ দ্রুত কমে যাচ্ছে। মার্চ শেষে বেসরকারি খাতে মোট ঋণের স্থিতি প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছালেও নতুন বিনিয়োগের গতি কমে গেছে। ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অনেক বড় শিল্পগোষ্ঠী তাদের কার্যক্রম সীমিত করেছে, কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম উৎপাদন করছে।

বর্তমানে শিল্পঋণের সুদহার অনেক ক্ষেত্রে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, এ ধরনের সুদে উৎপাদনমুখী শিল্প পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন। অর্থনীতিবিদদের মতে, সুদের হার বৃদ্ধি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, আমদানি খরচ বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যবসার ব্যয় এতটাই বেড়েছে যে নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ কমে গেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো খেলাপিঋণের চাপ এবং সরকারি ঋণের চাহিদার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে আগ্রহ হারাচ্ছে।

অর্থনীতির সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা এখন সরকারের ঋণনির্ভরতা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সরকার ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেলেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকায়। শুধু এক বছরের ব্যবধানে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা এই পরিস্থিতিকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলে অভিহিত করছেন। অর্থাৎ সরকার যখন ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ধার নেয়, তখন বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যায়। বর্তমানে সরকার উচ্চ সুদে ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রি করছে। ব্যাংকগুলোর কাছে এটি ঝুঁকিমুক্ত ও লাভজনক বিনিয়োগ হওয়ায় তারা শিল্প ও ব্যবসায় ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে সরকারি সিকিউরিটিজে বেশি বিনিয়োগ করছে। ফলে ব্যাংকের আয় বাড়লেও উৎপাদনশীল খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির গতি কমে যাচ্ছে।

রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতিও সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ ও বাজেট সহায়তার প্রবাহও প্রত্যাশিত মাত্রায় আসছে না। ফলে সরকার পরিচালন ব্যয়, ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়ন প্রকল্প চালাতে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভর করছে। জাহিদ হোসেন মনে করেন, সরকার আপাতত সহজ সমাধান হিসেবে ব্যাংক ঋণের পথ বেছে নিচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি বেসরকারি বিনিয়োগ আরও সংকুচিত করতে পারে এবং অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, করজাল সম্প্রসারণ, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা, খেলাপিঋণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বেসরকারি খাতের জন্য সাশ্রয়ী ঋণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তারা বলছেন, শুধু বড় বাজেট ঘোষণা করলেই হবে না, বরং বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় সরকারি ঋণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং কর্মসংস্থান সংকট আগামী দিনে আরও বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।