বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ক্রসফায়ারে ছাত্রদল নেতাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন।
এই মামলায় গ্রেফতার আছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন। বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি হাসানাত আবদুল্লাহ ছাড়া পলাতক অপরজন হলেন বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ।
নিহতরা হলেন– আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
এইদিন গ্রেফতার ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ পড়ে শোনান ট্রাইব্যুনাল। এরপর কাঠগড়ায় থাকা দুই আসামিকে দোষ স্বীকার করবেন কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা। গত ১৪ মে গ্রেফতার দুই আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হাসান। নিজের মক্কেলরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং মিথ্যা-বানোয়াট গল্পের মাধ্যমে প্রসিকিউশন তাদের আসামি করেছে বলে দাবি করেন তিনি। পলাতকদের পক্ষে আইনি লড়াই করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, টিপু ও কবির ছিলেন আবুল হাসানাতের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। এ জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করেন তিনি। এই কাজ বাস্তবায়ন করতে তৎকালীন এসপি একেএম এহসান উল্লাহকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর মিথ্যা মামলায় ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুজনকে গ্রেফতার করে উজিরপুর থানা-পুলিশ। এরপর মাহাবুল ও জসিমকে দিয়ে গৌ…
রিপোর্টারের নাম 




















