খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জলাতঙ্কের টিকা বাইরে থেকে টাকা দিয়ে কেনার ঘটনা সরেজমিনে দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজীকে তিরস্কার করেন। এরপর তিনি হাসপাতালের রান্নাঘরে যান এবং রোগীদের জন্য তৈরি করা তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দেন।
এ সময় ক্ষুব্ধ হয়ে মন্ত্রী তত্ত্বাবধায়ককে ভালো মানের তরকারি সরবরাহের নির্দেশ দেন এবং প্রশ্ন করেন, ‘এ ধরনের তরকারি আপনাদের বাসায় রান্না হলে কি খেতেন?’
বুধবার সকালে আকস্মিকভাবে খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।
জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্কের টিকা কর্নার পরিদর্শনে গেলে ভুক্তভোগী রোগীরা মন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে কিনে দিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেখে মন্ত্রী তত্ত্বাবধায়ককে ধমকান এবং কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা জানতে চান। জবাবে তত্ত্বাবধায়ক ‘সরবরাহ না থাকার কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে’ বলে জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় ফোন করে জানতে পারেন যে, টিকা আনার জন্য তত্ত্বাবধায়ক কোনো যোগাযোগ করেননি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ মন্ত্রী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সাংবাদিকদের জানান। রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের কারণেও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ও ওটি রুমে আগুন লেগেছিল, যেখানে আতঙ্কে অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা আহত হয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 



















