দেশের গণমাধ্যম খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অধিকার রক্ষায় একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই কমিশন প্রতিষ্ঠিত হলে সাংবাদিকতা পেশায় কোনো ধরনের ব্ল্যাকমেইলিং বা অপব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে সরকার বা মালিকপক্ষও গণমাধ্যমকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, বর্তমান সময়ে প্রোপাগান্ডার চেয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই বেশি জরুরি। অনেক পেশায় শ্রম আইন থাকলেও গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা, বেতন কাঠামো ও পেনশনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার মতো কার্যকর কোনো আইনি কাঠামো নেই। সরকার গণমাধ্যমকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চায়। সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না এবং মালিকপক্ষও যাতে সাংবাদিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এই কমিশনের লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 























