বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে মাদকবিরোধী গণসচেতনতা গড়ে তুলতে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর আমির ও ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। একই সঙ্গে সীমান্তে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে মাদক চোরাচালান বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর অঞ্চল কার্যালয়ে বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশের তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে এবং প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।
তিনি জানান, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে। “মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জনসচেতনতা সৃষ্টি, প্রচারণা এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেলিম উদ্দিন বলেন, অনেকেই ধূমপানকে মাদকের অংশ মনে করেন না। অথচ ধূমপান থেকেই অনেকের মাদকাসক্তির সূচনা হয়। তাই ধূমপানসহ সব ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে পরিবার ও সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকাসক্তদের ঘৃণা নয়, বরং চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে নিয়ে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিটি পরিবারে নৈতিক শিক্ষার চর্চা, খেলাধুলা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে। ইসলাম মানুষের ক্ষতি নয়, বরং কল্যাণ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার শিক্ষা দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 























