ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ, অধ্যাদেশ বাতিলে বড় ধাক্কা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল ও অকার্যকর হওয়ার ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে তারা বিচারকদের মানসিক স্বাধীনতা এবং কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেন।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ২০২৫ এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় একটি বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক হাইকোর্ট বিচারপতি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।

সোমবার রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে ঢাকা ট্রিবিউন এবং রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন বিচার বিভাগের গুরুত্ব শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান এই দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং অকার্যকর হয়ে যাওয়ার কারণে দেশে বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য মোটেও শুভ সংকেত নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন যে শুধু আইন বা কাঠামোগত সুরক্ষার মাধ্যমেই এটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বরং এর জন্য বিচারকদের মানসিক স্বাধীনতা এবং নৈতিক সাহসের প্রবল প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা স্বাধীন হলেও মানসিকভাবে সবাই স্বাধীন কিনা সেই প্রশ্ন তুলে তিনি নিজেই নেতিবাচক উত্তর দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন একজন বিচারকের প্রকৃত স্বাধীনতা তার মানসিক দৃঢ়তার মধ্যেই নিহিত থাকে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে ক্ষমতাকেন্দ্রের বিরুদ্ধে শক্তভাবে দাঁড়ানোর মতো সাহস বিচারকদের অবশ্যই থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন তার বক্তব্যে বলেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান এবং মৌলিক শর্ত হলো বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা। সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে আদালতকে রাজনৈতিক বা অন্য যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে হবে বলে তিনি মত দেন। সুজনের প্রধান নির্বাহী বদিউল আলম মজুমদার হতাশা প্রকাশ করে বলেন দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে এর প্রয়োগ এখনো অধরাই রয়ে গেছে। সংবিধান এবং মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ সারা হোসেন মনে করেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পাশাপাশি এর স্বচ্ছতা জবাবদিহি এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি এমন একটি স্বাধীন ও কার্যকর বিচার বিভাগ গড়ে তোলার আহ্বান জানান যা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঢাল হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ আসিম বলেন সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতির এত বছর পার হওয়ার পরও বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা এখনো একটি চলমান প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি মনে করেন স্বাধীনতা মূলত মানুষের ভেতরের একটি বিষয় এবং নিজেকে স্বাধীন মনে না করলে প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জোর দিয়ে বলেন সঠিক নিয়োগ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ছাড়া বাস্তবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায় না।

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারওয়ার তুষার বিচার বিভাগীয় সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টিকে একটি উদ্বেগজনক বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করছি এবং মীমাংসিত বিষয়গুলো নতুন করে খোলা হলেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নেই। বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বিচার বিভাগীয় সংস্কারের স্বার্থে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। সংবিধান ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বিচার বিভাগকে নির্বাহী আইনসভা আর্থিক এবং বাহ্যিক সব ধরনের চাপ থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি তড়িঘড়ি করে কোনো সংস্কার না করার বিষয়ে সতর্ক করেন।

নেত্র নিউজের নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল আহসান বলেন বৃহত্তর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি আদালতের যাবতীয় নথি এবং কার্যক্রম ডিজিটালি উন্মুক্ত করার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন। ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমদ বলেন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর বাংলাদেশ বেশ কিছু অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘাটতি বিদ্যমান। বিশেষ করে নিম্ন আদালত এখনো প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল তাই সুপ্রিম কোর্টের অধীনে একটি সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত সচিবালয় থাকা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন। সেমিনারে উপস্থিত থাকা অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মির্জা হাসান ড সাজ্জাদ সিদ্দিকী মো রেজায়ে রাব্বি জায়েদ রোমানা শোয়েগার এবং ড নূর মোহাম্মদ সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় তরুণীকে সাইবার হয়রানি: সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ, অধ্যাদেশ বাতিলে বড় ধাক্কা

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল ও অকার্যকর হওয়ার ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে তারা বিচারকদের মানসিক স্বাধীনতা এবং কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেন।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ২০২৫ এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় একটি বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক হাইকোর্ট বিচারপতি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।

সোমবার রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে ঢাকা ট্রিবিউন এবং রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন বিচার বিভাগের গুরুত্ব শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান এই দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং অকার্যকর হয়ে যাওয়ার কারণে দেশে বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য মোটেও শুভ সংকেত নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন যে শুধু আইন বা কাঠামোগত সুরক্ষার মাধ্যমেই এটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বরং এর জন্য বিচারকদের মানসিক স্বাধীনতা এবং নৈতিক সাহসের প্রবল প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা স্বাধীন হলেও মানসিকভাবে সবাই স্বাধীন কিনা সেই প্রশ্ন তুলে তিনি নিজেই নেতিবাচক উত্তর দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন একজন বিচারকের প্রকৃত স্বাধীনতা তার মানসিক দৃঢ়তার মধ্যেই নিহিত থাকে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে ক্ষমতাকেন্দ্রের বিরুদ্ধে শক্তভাবে দাঁড়ানোর মতো সাহস বিচারকদের অবশ্যই থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন তার বক্তব্যে বলেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান এবং মৌলিক শর্ত হলো বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা। সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে আদালতকে রাজনৈতিক বা অন্য যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে হবে বলে তিনি মত দেন। সুজনের প্রধান নির্বাহী বদিউল আলম মজুমদার হতাশা প্রকাশ করে বলেন দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে এর প্রয়োগ এখনো অধরাই রয়ে গেছে। সংবিধান এবং মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ সারা হোসেন মনে করেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পাশাপাশি এর স্বচ্ছতা জবাবদিহি এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি এমন একটি স্বাধীন ও কার্যকর বিচার বিভাগ গড়ে তোলার আহ্বান জানান যা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঢাল হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ আসিম বলেন সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতির এত বছর পার হওয়ার পরও বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা এখনো একটি চলমান প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি মনে করেন স্বাধীনতা মূলত মানুষের ভেতরের একটি বিষয় এবং নিজেকে স্বাধীন মনে না করলে প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জোর দিয়ে বলেন সঠিক নিয়োগ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ছাড়া বাস্তবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায় না।

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারওয়ার তুষার বিচার বিভাগীয় সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টিকে একটি উদ্বেগজনক বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করছি এবং মীমাংসিত বিষয়গুলো নতুন করে খোলা হলেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নেই। বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বিচার বিভাগীয় সংস্কারের স্বার্থে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। সংবিধান ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বিচার বিভাগকে নির্বাহী আইনসভা আর্থিক এবং বাহ্যিক সব ধরনের চাপ থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি তড়িঘড়ি করে কোনো সংস্কার না করার বিষয়ে সতর্ক করেন।

নেত্র নিউজের নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল আহসান বলেন বৃহত্তর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি আদালতের যাবতীয় নথি এবং কার্যক্রম ডিজিটালি উন্মুক্ত করার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন। ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমদ বলেন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর বাংলাদেশ বেশ কিছু অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘাটতি বিদ্যমান। বিশেষ করে নিম্ন আদালত এখনো প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল তাই সুপ্রিম কোর্টের অধীনে একটি সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত সচিবালয় থাকা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন। সেমিনারে উপস্থিত থাকা অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মির্জা হাসান ড সাজ্জাদ সিদ্দিকী মো রেজায়ে রাব্বি জায়েদ রোমানা শোয়েগার এবং ড নূর মোহাম্মদ সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।