লালমনিরহাট জেলার অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু কেনাবেচা জমে উঠলেও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত হারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ আদায় করছেন হাটের ইজারাদার। উত্তর জনপদের এই ঐতিহ্যবাহী হাটে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারী ও সাধারণ মানুষ এখন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই হাটের ইজারা পেয়েছেন হাবিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি, যিনি স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতৃত্বের আত্মীয় পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গরু বিক্রিতে ক্রেতার কাছ থেকে ৪৯৫ টাকা এবং ছাগলের ক্ষেত্রে ১১০ টাকা খাজনা নেওয়ার বিধান থাকলেও বাস্তবে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে প্রতিটি গরুর জন্য ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং প্রতিটি ছাগলের জন্য ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ উঠেছে যে, নিয়ম অনুযায়ী কেবল ক্রেতার খাজনা দেওয়ার কথা থাকলেও এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষকেই অর্থ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, খাজনা আদায়ের রশিদে টাকার কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয় না, কেবল পশুর বর্ণনা লিখে দেওয়া হয়। ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো দালিলিক প্রমাণ থাকছে না। আশপাশের অন্যান্য হাটে নির্ধারিত খাজনা নেওয়া হলেও চাপারহাটে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতারা এই অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 























