ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বিক্ষোভের পর মুক্তি পেলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ কংগ্রেস নেতারা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জেরে আটক হওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের অবশেষে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাদের সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার সকালে। রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন এবং সেখানে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। এর পরেই দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে। রাহুল গান্ধীকে আটকের খবর পেয়ে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী মন্দির মার্গ থানায় যান। পরে ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে রাহুল গান্ধীকে মুক্তি দেওয়ার পর তিনি থানা ত্যাগ করেন। একই সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য বিরোধী নেতাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কংগ্রেস মূলত নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে আসছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভের পর মুক্তি পেলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ কংগ্রেস নেতারা

বিক্ষোভের পর মুক্তি পেলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ কংগ্রেস নেতারা

আপডেট সময় : ০৭:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জেরে আটক হওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের অবশেষে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাদের সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার সকালে। রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন এবং সেখানে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। এর পরেই দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে। রাহুল গান্ধীকে আটকের খবর পেয়ে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী মন্দির মার্গ থানায় যান। পরে ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে রাহুল গান্ধীকে মুক্তি দেওয়ার পর তিনি থানা ত্যাগ করেন। একই সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য বিরোধী নেতাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কংগ্রেস মূলত নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে আসছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল।