ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকার ৮-৯% জিডিপি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান আট থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে এই খাতের অবদান মাত্র তিন শতাংশ। পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করা হবে। সরকার পর্যটনকে কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই দেখছে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করছে। এই লক্ষ্যে দেশের এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনার লক্ষ্যে টোয়াবের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে উত্তরবঙ্গের ভাগ্য, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস পানি সম্পদ মন্ত্রীর

পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকার ৮-৯% জিডিপি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে

আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান আট থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে এই খাতের অবদান মাত্র তিন শতাংশ। পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করা হবে। সরকার পর্যটনকে কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই দেখছে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করছে। এই লক্ষ্যে দেশের এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনার লক্ষ্যে টোয়াবের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।