ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

মানিকগঞ্জে নদীভাঙন ও বন্যা মোকাবিলায় ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প

মানিকগঞ্জে নদীভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জেলার মানুষকে আর নদীভাঙন ও বন্যাজনিত দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একটি ঘর, এক কাঠা জমিও যেন পানিতে বিলীন না হয়ে যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জে নদীভাঙন রোধে সোমবার থেকেই কাজ শুরু হবে।’

রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি সরেজমিনে মানুষের কষ্ট দেখতে এসেছেন এবং আশা করছেন দুই-একদিনের মধ্যেই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে শুষ্ক মৌসুমে ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে টেকসই প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই জাদুঘর’ অবিলম্বে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি

মানিকগঞ্জে নদীভাঙন ও বন্যা মোকাবিলায় ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মানিকগঞ্জে নদীভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জেলার মানুষকে আর নদীভাঙন ও বন্যাজনিত দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একটি ঘর, এক কাঠা জমিও যেন পানিতে বিলীন না হয়ে যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জে নদীভাঙন রোধে সোমবার থেকেই কাজ শুরু হবে।’

রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি সরেজমিনে মানুষের কষ্ট দেখতে এসেছেন এবং আশা করছেন দুই-একদিনের মধ্যেই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে শুষ্ক মৌসুমে ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে টেকসই প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।