ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহা: দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস, অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের ঘরে ফেরার প্রস্তুতিতে নৌপথ আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ঢাকা-বরিশাল রুটে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে শুরু হচ্ছে ঈদের বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস। এরই মধ্যে বিলাসবহুল লঞ্চগুলোর কেবিন টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে।

নদীবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নদীপথে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের ৪১টি রুটে শতাধিক বেসরকারি লঞ্চ চলাচল করছে। এসব লঞ্চে প্রায় দশ হাজার ভিআইপি, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কেবিন রয়েছে, যা ঈদযাত্রায় ব্যাপক চাহিদা তৈরি করে।

যাত্রীরা বলছেন, সড়কপথে যানজট ও অন্যান্য ঝামেলা এড়াতে তারা পরিবারসহ নৌপথকেই বেছে নিচ্ছেন। তারা আশা করছেন, নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তারা বাড়ি পৌঁছাতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে ভিড় বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই এখন থেকেই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করছেন।

লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি চাপ থাকবে ঈদের কয়েক দিন আগে। যাত্রীসংখ্যা বাড়লে অতিরিক্ত লঞ্চ চালানোরও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ লঞ্চ মালিক সমিতি নিশ্চিত করেছে যে, এবার সরকার নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রী পরিবহন করা হবে।

সমিতির একজন কর্মকর্তা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার ঝুঁকি মাথায় রেখেই এবার বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ঝড়ের মৌসুম হওয়ায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম রাখা এবং নৌযানের চলাচলে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোট নৌকায় যাত্রী পারাপার করে লঞ্চে ওঠানোর ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়।

বিভিন্ন লঞ্চ কোম্পানির বুকিং কাউন্টারগুলোতে আগেভাগেই যাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে ঈদের আগের দিনগুলোর যাত্রার জন্য চাহিদা সবচেয়ে বেশি। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া এক হাজার দুইশ টাকা এবং ডাবল কেবিনের ভাড়া দুই হাজার চারশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই জাদুঘর’ অবিলম্বে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি

ঈদুল আজহা: দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস, অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের ঘরে ফেরার প্রস্তুতিতে নৌপথ আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ঢাকা-বরিশাল রুটে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে শুরু হচ্ছে ঈদের বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস। এরই মধ্যে বিলাসবহুল লঞ্চগুলোর কেবিন টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে।

নদীবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নদীপথে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের ৪১টি রুটে শতাধিক বেসরকারি লঞ্চ চলাচল করছে। এসব লঞ্চে প্রায় দশ হাজার ভিআইপি, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কেবিন রয়েছে, যা ঈদযাত্রায় ব্যাপক চাহিদা তৈরি করে।

যাত্রীরা বলছেন, সড়কপথে যানজট ও অন্যান্য ঝামেলা এড়াতে তারা পরিবারসহ নৌপথকেই বেছে নিচ্ছেন। তারা আশা করছেন, নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তারা বাড়ি পৌঁছাতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে ভিড় বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই এখন থেকেই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করছেন।

লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি চাপ থাকবে ঈদের কয়েক দিন আগে। যাত্রীসংখ্যা বাড়লে অতিরিক্ত লঞ্চ চালানোরও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ লঞ্চ মালিক সমিতি নিশ্চিত করেছে যে, এবার সরকার নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রী পরিবহন করা হবে।

সমিতির একজন কর্মকর্তা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার ঝুঁকি মাথায় রেখেই এবার বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ঝড়ের মৌসুম হওয়ায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম রাখা এবং নৌযানের চলাচলে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোট নৌকায় যাত্রী পারাপার করে লঞ্চে ওঠানোর ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়।

বিভিন্ন লঞ্চ কোম্পানির বুকিং কাউন্টারগুলোতে আগেভাগেই যাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে ঈদের আগের দিনগুলোর যাত্রার জন্য চাহিদা সবচেয়ে বেশি। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া এক হাজার দুইশ টাকা এবং ডাবল কেবিনের ভাড়া দুই হাজার চারশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।