লক্ষ্মীপুরে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে এক গুরুতর অনিয়মের ঘটনা সামনে এসেছে। গণিত বিষয়ে পড়াশোনা করে এমপিওভুক্ত হওয়া একজন শিক্ষককে ইংরেজি বিষয়ের প্রধান পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, একজন শারীরিক শিক্ষার শিক্ষককেও বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রধান পরীক্ষক করা হয়েছে, যা নিয়ে অন্য পরীক্ষকদের মধ্যে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কাপিলাতুলি এলাকার কাপিলাতুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে। রিয়াজ উদ্দিন নামের ওই গণিত শিক্ষক প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, রায়পুর সরকারি মাচ্চেন্টস একাডেমির শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক ওমর ফারুক বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন।
জানা গেছে, গণিত বিষয়ের শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরেই ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নেও তিনি ইংরেজি বিষয়ের প্রধান পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানপ্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি নিজেই নিজের বিষয়ভিত্তিক তথ্য যাচাই করে শিক্ষা বোর্ডে পাঠান, যা এই ধরনের অনিয়মের সুযোগ তৈরি করে।
বিষয়টি জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন জানান, তিনি ১৯৯৪ সালে এমপিওভুক্ত হন এবং ২০১৭ সাল থেকে খাতা দেখছেন। তার সময়ে বিষয় নির্ধারণের এমন কোনো কঠোর নিয়ম ছিল না এবং যারা যে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন, তারাই সেই বিষয়ে পরীক্ষক হতে পারেন। তিনি গণিত বিষয়ে সনদপ্রাপ্ত হলেও ইংরেজি খাতা দেখছেন বলে স্বীকার করেন।
রিপোর্টারের নাম 





















