ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হজ কেবল একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি একজন মুমিনের জীবনে আমূল পরিবর্তনের এক অনন্য সুযোগ। সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ। এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ এবং গুনাহমুক্ত জীবনের পথ উন্মোচিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, কবুল হজের মাধ্যমে একজন মানুষ নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে।
হজের মূল শিক্ষা নিহিত রয়েছে ত্যাগ, ধৈর্য এবং বিশ্ব মুসলিমের ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্যে। ইহরামের শুভ্র পোশাকে ধনী-দরিদ্র ও বর্ণভেদ ভুলে লাখ লাখ মানুষ যখন একই ময়দানে সমবেত হন, তখন সেখানে এক অপার্থিব সাম্যের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান থেকে শুরু করে কাবা তাওয়াফ—প্রতিটি কাজ মানুষের মনে আখেরাতের জবাবদিহিতা ও বিনয় জাগ্রত করে।
হজের এই ঐতিহ্যবাহী ধারা ইসলামের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। হজরত ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পরিবারের চরম আত্মত্যাগ এবং মহান আল্লাহর নির্দেশের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের স্মারক হিসেবেই মুসলিম উম্মাহ এই ইবাদত পালন করে থাকে। প্রতিটি আনুষ্ঠানিকতা যেমন—সাঈ কিংবা কোরবানি, মুমিনকে ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাসের শিক্ষা দেয়।
রিপোর্টারের নাম 

























