বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড থটস আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় বক্তারা বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা মনে করেন, বিগত সময়ে উন্নয়নের নামে রাষ্ট্রকে দেউলিয়া করার চেষ্টা হয়েছিল এবং পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন, কর্ণফুলি টানেল নির্মাণ ও গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বিআরটি প্রকল্পের মতো কাজে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় হয়েছে। তাই বর্তমান সরকারকে উন্নয়নের এই ফাঁদে না পড়ার এবং যেকোনো বিনিয়োগের আগে তার ‘রেট অব রিটার্ন’ বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে গুণগত মানের দিকে নজর দেওয়া উচিত। জিডিপির প্রবৃদ্ধির চেয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে অপচয় বা ‘লিকেজ’ বন্ধ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। সক্ষমতা ছাড়া বাজেটের আকার বাড়ালে অপচয় আরও বাড়বে, যা রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ, সাবেক সচিব ড. শরিফুল আলম জিন্নাহ এবং অর্থনীতিবিদ আহমেদ আবদুল কাদেরসহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা আলোচনায় অংশ নেন। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আগামী বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং কৃষিখাতের ওপর গুরুত্বারোপের তাগিদ দেন বক্তারা। তারা বলেন, ৯ শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। শ্রমঘন শিল্পে বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে শিক্ষাখাতে দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন। কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 




















