ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দেশের প্রেক্ষাগৃহে আসছে তুর্কি হরর সিনেমা ‘সিজ্জিন ৯’

বিশ্বজুড়ে আলোচিত তুর্কি হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিজ্জিন’-এর নবম কিস্তি এবার বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ মে আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে। আলপার মেস্তচি পরিচালিত এই সিনেমাটি মূলত ইসলামিক লোকবিশ্বাস, কালোজাদু এবং অতিপ্রাকৃত কাহিনীকে কেন্দ্র করে নির্মিত।

‘সিজ্জিন ৯’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি অন্ধকার ও প্রাচীন অভিশপ্ত পরিবারকে ঘিরে। এক মা তার সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিষিদ্ধ কালোজাদুর আশ্রয় নেন, যা পরবর্তীতে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সিনেমার মূল চরিত্র কেমাল তার বাবার পুরোনো বাড়িতে ফিরে আসার পর একের পর এক অতিপ্রাকৃত ও রহস্যময় ঘটনার মুখোমুখি হয়। এরপর শুরু হয় জ্বিন ও অভিশাপের এক ভয়াবহ অধ্যায়।

২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই সিরিজটি পশ্চিমা হরর সিনেমা থেকে কিছুটা ভিন্ন ধারার। এতে সস্তা ভয়ের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্ক এবং বাস্তবধর্মী পরিবেশকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তুরস্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক হরর ভক্তদের কাছেও এই সিরিজটি বেশ জনপ্রিয়। এবার বাংলাদেশের দর্শকরাও বড় পর্দায় এই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মধু সংগ্রহ: ১ হাজার কেজি মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক

দেশের প্রেক্ষাগৃহে আসছে তুর্কি হরর সিনেমা ‘সিজ্জিন ৯’

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বিশ্বজুড়ে আলোচিত তুর্কি হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিজ্জিন’-এর নবম কিস্তি এবার বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ মে আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে। আলপার মেস্তচি পরিচালিত এই সিনেমাটি মূলত ইসলামিক লোকবিশ্বাস, কালোজাদু এবং অতিপ্রাকৃত কাহিনীকে কেন্দ্র করে নির্মিত।

‘সিজ্জিন ৯’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি অন্ধকার ও প্রাচীন অভিশপ্ত পরিবারকে ঘিরে। এক মা তার সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিষিদ্ধ কালোজাদুর আশ্রয় নেন, যা পরবর্তীতে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সিনেমার মূল চরিত্র কেমাল তার বাবার পুরোনো বাড়িতে ফিরে আসার পর একের পর এক অতিপ্রাকৃত ও রহস্যময় ঘটনার মুখোমুখি হয়। এরপর শুরু হয় জ্বিন ও অভিশাপের এক ভয়াবহ অধ্যায়।

২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই সিরিজটি পশ্চিমা হরর সিনেমা থেকে কিছুটা ভিন্ন ধারার। এতে সস্তা ভয়ের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্ক এবং বাস্তবধর্মী পরিবেশকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তুরস্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক হরর ভক্তদের কাছেও এই সিরিজটি বেশ জনপ্রিয়। এবার বাংলাদেশের দর্শকরাও বড় পর্দায় এই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে পারবেন।