ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

শিক্ষাকে নিছক ব্যয় নয়, জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার

শিক্ষা খাতকে শুধু ব্যয় হিসেবে না দেখে একে ‘জাতীয় বিনিয়োগ’ হিসেবে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন (এনএসএ) অনুযায়ী দেশের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। অনেক শিশু তৃতীয় শ্রেণিতে পড়লেও তাদের শ্রেণির উপযোগী পাঠ্যবই পড়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই। এই সংকট কাটাতে সরকার ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা’ বা বিশেষ সহায়ক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। লার্নিং সার্কেল ও প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্টের মাধ্যমে এই শিখন ঘাটতি কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রাশেদা কে. চৌধুরী শিক্ষা সংস্কারের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীর লেখা ‘দ্য লার্নিং নেশন’ গ্রন্থের কথা উল্লেখ করে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে বলেও প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: হামলা বন্ধে ঐকমত্য, দোহায় বৈঠক

শিক্ষাকে নিছক ব্যয় নয়, জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার

আপডেট সময় : ০৫:১৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শিক্ষা খাতকে শুধু ব্যয় হিসেবে না দেখে একে ‘জাতীয় বিনিয়োগ’ হিসেবে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন (এনএসএ) অনুযায়ী দেশের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। অনেক শিশু তৃতীয় শ্রেণিতে পড়লেও তাদের শ্রেণির উপযোগী পাঠ্যবই পড়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই। এই সংকট কাটাতে সরকার ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা’ বা বিশেষ সহায়ক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। লার্নিং সার্কেল ও প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্টের মাধ্যমে এই শিখন ঘাটতি কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রাশেদা কে. চৌধুরী শিক্ষা সংস্কারের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীর লেখা ‘দ্য লার্নিং নেশন’ গ্রন্থের কথা উল্লেখ করে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে বলেও প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।