ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে আমিরাতের ২০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি: রামরুর উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী মূল প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

রামরুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমছে এবং অনেক নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ যেমন কমছে, তেমনি বর্তমানে কর্মরত কর্মীদের ছাঁটাইয়ের আশঙ্কাও প্রবল হচ্ছে। এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটায় রিক্রুটিং এজেন্ট এবং অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে আর্থিক বিরোধ তৈরি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলা হয়, প্রবাসী কর্মীদের এই আপদকালীন সংকট মোকাবিলায় কোনো নির্দিষ্ট জরুরি তহবিল বা রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নেই। অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের ব্যবসা সরিয়ে তুরস্কে স্থানান্তর করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন শ্রমবাজার খোঁজা এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারীতে নছিমন উল্টে চালক নিহত, আহত ১

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে আমিরাতের ২০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি: রামরুর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৭:১২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী মূল প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

রামরুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমছে এবং অনেক নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ যেমন কমছে, তেমনি বর্তমানে কর্মরত কর্মীদের ছাঁটাইয়ের আশঙ্কাও প্রবল হচ্ছে। এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটায় রিক্রুটিং এজেন্ট এবং অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে আর্থিক বিরোধ তৈরি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলা হয়, প্রবাসী কর্মীদের এই আপদকালীন সংকট মোকাবিলায় কোনো নির্দিষ্ট জরুরি তহবিল বা রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নেই। অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের ব্যবসা সরিয়ে তুরস্কে স্থানান্তর করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন শ্রমবাজার খোঁজা এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিশেষজ্ঞরা।