আগামী ডিসেম্বরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সরকারি ঘোষণার প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। মাত্র ছয় মাস বাকি থাকলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলো পায়নি। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে সিলেবাস সম্পন্ন করা, টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া, ফরম পূরণ এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করে পরীক্ষা গ্রহণ আদৌ সম্ভব কিনা, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে চাপা ক্ষোভ ও দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে।
অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, ঘন ঘন শিক্ষাক্রম, সিলেবাস ও পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে এমনিতেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এবার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে আনা এই পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ওপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়াও, একই মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা। সেশনজট কমাতে শিক্ষামুখী এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানালেও, একটি স্থিতিশীল ও স্পষ্ট নীতি প্রণয়নের ওপর জোর দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানীরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিসেম্বরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা এসেছিল। গত ২৫ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে এই পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে আনার ইঙ্গিত দিলেও, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানিয়েছেন, ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে তারা এখনো সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি।
রিপোর্টারের নাম 






















