ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: প্রতিশ্রুতি কি কথার কথা ছিল?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে এবং ২০২৬ সালের ঈদের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর একটি উচ্চাভিলাষী ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণা দেশবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছিল এবং শরণার্থীদের মধ্যেও প্রত্যাবর্তনের আশা জাগিয়েছিল। তবে, নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠেছে, এই প্রতিশ্রুতি কি নিছক কথার ফুলঝুরি ছিল, নাকি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত অবাস্তব আশ্বাস? অথবা এটি কি সেই পুরোনো ধারা যেখানে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে বারবার প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করতে হয়?

ড. ইউনূসের প্রাথমিক বক্তব্য ও পদক্ষেপে একটি সতর্ক ও আশাবাদী অবস্থান স্পষ্ট ছিল। তার সরকার রোহিঙ্গা ইস্যু দেখভালের জন্য একজন “হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ” নিয়োগ দেয়। পূর্ববর্তী সরকারের অস্থায়ী ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের বিপরীতে, এটি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের ইঙ্গিত। তবে, কক্সবাজারের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন দেশি-বিদেশি সংস্থার উপস্থিতিতে ভরে গেছে, যা মানবিক সহায়তার নামে অবকাঠামো দখল করে নিচ্ছে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এটি “রিফিউজি ট্যুরিজম”-এর পর্যায়ে চলে গেছে, বিশেষ করে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত থাকার কারণে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৮ ফুটের অজগর উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: প্রতিশ্রুতি কি কথার কথা ছিল?

আপডেট সময় : ১১:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে এবং ২০২৬ সালের ঈদের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর একটি উচ্চাভিলাষী ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণা দেশবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছিল এবং শরণার্থীদের মধ্যেও প্রত্যাবর্তনের আশা জাগিয়েছিল। তবে, নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠেছে, এই প্রতিশ্রুতি কি নিছক কথার ফুলঝুরি ছিল, নাকি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত অবাস্তব আশ্বাস? অথবা এটি কি সেই পুরোনো ধারা যেখানে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে বারবার প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করতে হয়?

ড. ইউনূসের প্রাথমিক বক্তব্য ও পদক্ষেপে একটি সতর্ক ও আশাবাদী অবস্থান স্পষ্ট ছিল। তার সরকার রোহিঙ্গা ইস্যু দেখভালের জন্য একজন “হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ” নিয়োগ দেয়। পূর্ববর্তী সরকারের অস্থায়ী ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের বিপরীতে, এটি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের ইঙ্গিত। তবে, কক্সবাজারের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন দেশি-বিদেশি সংস্থার উপস্থিতিতে ভরে গেছে, যা মানবিক সহায়তার নামে অবকাঠামো দখল করে নিচ্ছে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এটি “রিফিউজি ট্যুরিজম”-এর পর্যায়ে চলে গেছে, বিশেষ করে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত থাকার কারণে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে।