স্পেন উপকূল থেকে ৬০ মাইল দূরে ভূমধ্যসাগরে একটি রুশ মালবাহী জাহাজ রহস্যময় বিস্ফোরণের পর ডুবে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাহাজটি সম্ভবত উত্তর কোরিয়ায় পারমাণবিক রিয়্যাক্টরের যন্ত্রাংশ বহন করছিল। গত ২৩ ডিসেম্বর ‘উর্সা মেজর’ নামের জাহাজটি তিন দফায় বিস্ফোরণের শিকার হয়ে সাগরে তলিয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে জাহাজটির মালামালের তালিকায় ক্রেন ও কনটেইনারের কথা উল্লেখ থাকলেও স্প্যানিশ তদন্তকারীদের জেরার মুখে রুশ ক্যাপ্টেন স্বীকার করেছেন যে, সেখানে সাবমেরিনে ব্যবহৃত রিয়্যাক্টরের মতো দুটি পারমাণবিক যন্ত্রাংশ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই সরঞ্জামগুলো উত্তর কোরিয়ার রাসোন বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বিস্ফোরণের ধরনে সন্দেহ করা হচ্ছে যে এটি কোনো উচ্চগতির টর্পেডোর আঘাত হতে পারে, যা কেবল বিশ্বের গুটিকয়েক শক্তিশালী দেশের কাছে রয়েছে।
জাহাজটির মালিকানাধীন রুশ প্রতিষ্ঠান এই ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিস্ফোরণের পর রাশিয়ার একটি গোয়েন্দা জাহাজ দুর্ঘটনাস্থলে কয়েক দিন অবস্থান করে এবং সমুদ্রের তলদেশে থাকা ধ্বংসাবশেষ লক্ষ্য করে আরও কিছু বিস্ফোরণ ঘটায়। অন্যদিকে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ শনাক্তকারী মার্কিন বিশেষ বিমানও ওই এলাকায় চক্কর দিতে দেখা গেছে, যা ঘটনার গুরুত্ব ও রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















