ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল দেখে ট্রাম্পের বিস্ময়

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি এবং তাদের শোকাতুর আবেগ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানিরা তাদের নেতাকে এতটা ভালোবাসেন তা তার ধারণার বাইরে ছিল।

টেলিফোনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে। কিন্তু জানাজায় মানুষের ঢল এবং তাদের কান্না দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি।’ এই শোক অনুষ্ঠান চলাকালীন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো ধরনের সামরিক উত্তেজনা বা হামলা না চালানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। ট্রাম্পের মতে, জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আলোচনার পথ খোলা রাখতেই এই বিরতি নেওয়া হয়েছিল।

তেহরানে গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই শোক ও দাফন অনুষ্ঠান চলবে টানা সাত দিন ধরে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার ও শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ইরানের কর্তৃপক্ষের ধারণা, শুধুমাত্র তেহরানেই এই শোকানুষ্ঠানে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

বিপুল এই জনসমাগম ঘিরে তেহরানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বহু রাস্তা বন্ধ রাখার পাশাপাশি আকাশপথও নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর দেশটিতে এটিই সবচেয়ে বড় শোকের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের স্বরূপ ও বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা: একটি পর্যালোচনা

খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল দেখে ট্রাম্পের বিস্ময়

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি এবং তাদের শোকাতুর আবেগ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানিরা তাদের নেতাকে এতটা ভালোবাসেন তা তার ধারণার বাইরে ছিল।

টেলিফোনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে। কিন্তু জানাজায় মানুষের ঢল এবং তাদের কান্না দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি।’ এই শোক অনুষ্ঠান চলাকালীন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো ধরনের সামরিক উত্তেজনা বা হামলা না চালানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। ট্রাম্পের মতে, জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আলোচনার পথ খোলা রাখতেই এই বিরতি নেওয়া হয়েছিল।

তেহরানে গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই শোক ও দাফন অনুষ্ঠান চলবে টানা সাত দিন ধরে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার ও শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ইরানের কর্তৃপক্ষের ধারণা, শুধুমাত্র তেহরানেই এই শোকানুষ্ঠানে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

বিপুল এই জনসমাগম ঘিরে তেহরানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বহু রাস্তা বন্ধ রাখার পাশাপাশি আকাশপথও নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর দেশটিতে এটিই সবচেয়ে বড় শোকের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।