ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে স্থানীয় পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের জেরে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে এক নারী, তার সাবেক প্রেমিক ও এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনো প্রত্যক্ষদর্শী না থাকলেও শেষ পর্যন্ত একটি শিশুর স্কুলের নোটবুকের সূত্র ধরে খুনিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নিহত ব্যক্তির নাম বীরু জাট, যিনি রাজস্থানের বাসিন্দা। মধ্যপ্রদেশের রাইসেন জেলায় একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশে একটি ব্যাগ ও চিরুনির পাশাপাশি পাওয়া যায় একটি শিশুর হোমওয়ার্কের খাতা। পুলিশ সেই খাতার লেখার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকের মাধ্যমে শিশুর বাড়িতে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় পরিবারটি নিখোঁজ। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের খুঁজে বের করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রীনা কিরার নামে এক নারী হত্যার কথা স্বীকার করেন।
তদন্তে জানা যায়, রীনার সাথে অরুণের আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। বিচ্ছেদের পর রীনা ফেসবুকে বীরুর সাথে ঘনিষ্ঠ হন। এটি মেনে নিতে না পেরে সাবেক প্রেমিক অরুণ বীরুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী বীরুকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে বেসবল ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ হাইওয়ের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















