ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি ও তেলের বাজারে অস্থিরতা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে আবারও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া সাম্প্রতিক শান্তি প্রস্তাবটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ছায়া আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে, যার ফলে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নীতির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করায় শান্তি আলোচনা থমকে যায়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণকে ‘দাদাগিরি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ওয়াশিংটন অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করে সংঘাত জিইয়ে রাখছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচলের শর্ত দেওয়া হয়েছিল। ইরান এই শর্তগুলোকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। দুই দেশের এই অনড় অবস্থানের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন টিভির চার সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে ডিইউজের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি ও তেলের বাজারে অস্থিরতা

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে আবারও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া সাম্প্রতিক শান্তি প্রস্তাবটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ছায়া আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে, যার ফলে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নীতির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করায় শান্তি আলোচনা থমকে যায়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণকে ‘দাদাগিরি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ওয়াশিংটন অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করে সংঘাত জিইয়ে রাখছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচলের শর্ত দেওয়া হয়েছিল। ইরান এই শর্তগুলোকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। দুই দেশের এই অনড় অবস্থানের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।