আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সদরঘাট এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে এখন থেকে স্পিডবোট বা ছোট কোনো নৌযান থেকে যাত্রীরা সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবেন না। এছাড়া ফেরি পারাপারের সময় নিরাপত্তার স্বার্থে বাসের সব যাত্রীকে আগেভাগে নেমে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রী নামানো নিশ্চিত করতে ফেরিঘাটে বিশেষ ব্যারিকেড বসানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
সচিবালয়ে ঈদযাত্রা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় সম্ভাব্য বৃষ্টিপাত একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বৃষ্টি হলে সড়কে যানবাহনের গতি কমে যাওয়া এবং যাত্রীচাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং সব মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সড়কে চাপ কমাতে পোশাক কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে মালিকপক্ষ সম্মতি জানিয়েছে। গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একদিনে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমে পড়লে বিশেষ করে গাজীপুর ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়। এবার সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে ৬৯টি মোবাইল কোর্ট সক্রিয় থাকবে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর মনিটরিং করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
রিপোর্টারের নাম 























