ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলে পানিবাহিত রোগে অসুস্থ ৬০ ছাত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কুয়েত মৈত্রী হলে সম্প্রতি তিন দিনে অন্তত ৬০ জন ছাত্রী পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বমি, ডায়রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নানা উপসর্গে ভোগা এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে।

হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) রাফিয়া রেহনুমা জানান, অন্তত ৬ থেকে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের স্যালাইন দিতে হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন, হলের পানির সরবরাহে রাসায়নিক দূষণের কারণে এই প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। তার মতে, হলের পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার পরপরই এ ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়।

রাফিয়া আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে হলের পানি ও খাবারের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। হলের প্রভোস্ট মাহবুবা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি জানান, অসুস্থতা দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হলে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এবং পানির রিজার্ভার আবারও পেশাদারভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে।

তবে হল সংসদের ভিপি রাফিয়া রেহনুমা অভিযোগ করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হল সংসদকে চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বারবারই মৌলিক রক্ষণাবেক্ষণ—যেমন পানির ফিল্টার পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা নিয়ে প্রশাসনকে চাপ দিতে হয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ তুলনামূলকভাবে কম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা, স্বামী পলাতক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলে পানিবাহিত রোগে অসুস্থ ৬০ ছাত্রী

আপডেট সময় : ১১:২৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কুয়েত মৈত্রী হলে সম্প্রতি তিন দিনে অন্তত ৬০ জন ছাত্রী পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বমি, ডায়রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নানা উপসর্গে ভোগা এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে।

হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) রাফিয়া রেহনুমা জানান, অন্তত ৬ থেকে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের স্যালাইন দিতে হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন, হলের পানির সরবরাহে রাসায়নিক দূষণের কারণে এই প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। তার মতে, হলের পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার পরপরই এ ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়।

রাফিয়া আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে হলের পানি ও খাবারের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। হলের প্রভোস্ট মাহবুবা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি জানান, অসুস্থতা দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হলে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এবং পানির রিজার্ভার আবারও পেশাদারভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে।

তবে হল সংসদের ভিপি রাফিয়া রেহনুমা অভিযোগ করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হল সংসদকে চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বারবারই মৌলিক রক্ষণাবেক্ষণ—যেমন পানির ফিল্টার পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা নিয়ে প্রশাসনকে চাপ দিতে হয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ তুলনামূলকভাবে কম।