ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এক বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমে দ্বীন ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে তার অবদান স্মরণ করেন এবং তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করে জান্নাতুল ফিরদাউসে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বাংলাদেশের জনগণের কাছে সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি ছিলেন প্রজ্ঞাবান আলেমে দ্বীন, দূরদর্শী ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সততা, প্রজ্ঞা, বিনয়, উদারতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শৈশবকাল থেকেই মাওলানা নিজামী প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী নিজ এলাকা থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদে তার গঠনমূলক ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার সরকারি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফলে দেশের শিল্প ও কৃষি খাতের অগ্রগতি সাধিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণহানি ও শিশুহত্যার ঘটনায় বিচার দাবি

মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এক বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমে দ্বীন ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে তার অবদান স্মরণ করেন এবং তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করে জান্নাতুল ফিরদাউসে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বাংলাদেশের জনগণের কাছে সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি ছিলেন প্রজ্ঞাবান আলেমে দ্বীন, দূরদর্শী ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সততা, প্রজ্ঞা, বিনয়, উদারতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শৈশবকাল থেকেই মাওলানা নিজামী প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী নিজ এলাকা থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদে তার গঠনমূলক ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার সরকারি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফলে দেশের শিল্প ও কৃষি খাতের অগ্রগতি সাধিত হয়।