ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার

নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এখন থেকে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখবে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশ নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশ আর কখনও দুঃশাসনের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না এবং একটি বৈশ্বিক সম্মানিত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের চোট উপেক্ষা করেই আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামছেন মার্টিনেজ

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এখন থেকে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখবে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশ নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশ আর কখনও দুঃশাসনের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না এবং একটি বৈশ্বিক সম্মানিত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।