ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ: পাবনার এক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার দুপুরে তারা অধ্যক্ষের অপসারণ ও ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে মোট ২১ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে, অথচ অধ্যক্ষ নিজের আত্মীয়-স্বজন ও পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। তারা হয় চাকরি ফেরত চান, না হয় নেওয়া টাকা ফেরত দাবি করেন।

জানা গেছে, ২০০০ সালে স্থাপিত এই কলেজটির স্কুল শাখা ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর গত এক মাস আগে নৈশ্যপ্রহরী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চারজন আবেদনকারীর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে লিমন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ৭ লাখ এবং হেলাল উদ্দিন নামে আরেকজনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও, ২০১০ সালে অফিস সহকারী পদে নুরুজ্জামান এবং ২০০২ সালে কম্পিউটার অপারেটর পদে তোফায়েল আহমেদ নামে দুজনের কাছ থেকেও ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, গ্রামবাসী ষড়যন্ত্র করে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছে এবং তিনি কারো কাছ থেকে ঘুষ নেননি। তার দাবি, স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানালো মিশর

চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ: পাবনার এক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার দুপুরে তারা অধ্যক্ষের অপসারণ ও ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে মোট ২১ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে, অথচ অধ্যক্ষ নিজের আত্মীয়-স্বজন ও পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। তারা হয় চাকরি ফেরত চান, না হয় নেওয়া টাকা ফেরত দাবি করেন।

জানা গেছে, ২০০০ সালে স্থাপিত এই কলেজটির স্কুল শাখা ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর গত এক মাস আগে নৈশ্যপ্রহরী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চারজন আবেদনকারীর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে লিমন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ৭ লাখ এবং হেলাল উদ্দিন নামে আরেকজনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও, ২০১০ সালে অফিস সহকারী পদে নুরুজ্জামান এবং ২০০২ সালে কম্পিউটার অপারেটর পদে তোফায়েল আহমেদ নামে দুজনের কাছ থেকেও ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, গ্রামবাসী ষড়যন্ত্র করে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছে এবং তিনি কারো কাছ থেকে ঘুষ নেননি। তার দাবি, স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।