ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

‘ওরা অভিযোগ করতি পারে শয়তানি করে’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

‘ওরা অভিযোগ করতি পারে শয়তানি করে’ বলছিলেন পুরুষ শিক্ষার্থীর ওপর যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিম। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এজলাসে নেওয়ার সময় বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক তার কিছু বলার আছে কিনা এবং অন্যান্য শিক্ষকদের রেখে আপনার বিরুদ্ধেই কেনও অভিযোগ দিলো প্রশ্ন করলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানার মামলায় ঢাবি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার বিকালে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত প্রায় ১১টার দিকে শেওড়াপাড়ায় ড. এরশাদ হালিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান মিলন তাকে আদালতে হাজির করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের ৮ শিক্ষার্থী মিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। 

আসামিপক্ষের আইনজীবী শুনানিতে আদালতে বলেন, এ মামলার বাদি ঘটনার একমাস পরে মামলা করেছেন। এর মধ্যে তিনি কাউকে জানিয়েছেন এমন কিছু এজাহারে বলা নেই। এজাহারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলা হয়েছে কিন্তু কী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বাদি পরিষ্কার করেনি।

এছাড়াও আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক ভালো জার্নাল প্রকাশ, লেখালেখির কারণে অভ্যন্তরীণ বিভাগীয় রাজনীতির শিকার বলে আদালতে উল্লেখ করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ওরা অভিযোগ করতি পারে শয়তানি করে’

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

‘ওরা অভিযোগ করতি পারে শয়তানি করে’ বলছিলেন পুরুষ শিক্ষার্থীর ওপর যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিম। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এজলাসে নেওয়ার সময় বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক তার কিছু বলার আছে কিনা এবং অন্যান্য শিক্ষকদের রেখে আপনার বিরুদ্ধেই কেনও অভিযোগ দিলো প্রশ্ন করলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানার মামলায় ঢাবি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার বিকালে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত প্রায় ১১টার দিকে শেওড়াপাড়ায় ড. এরশাদ হালিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান মিলন তাকে আদালতে হাজির করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের ৮ শিক্ষার্থী মিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। 

আসামিপক্ষের আইনজীবী শুনানিতে আদালতে বলেন, এ মামলার বাদি ঘটনার একমাস পরে মামলা করেছেন। এর মধ্যে তিনি কাউকে জানিয়েছেন এমন কিছু এজাহারে বলা নেই। এজাহারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলা হয়েছে কিন্তু কী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বাদি পরিষ্কার করেনি।

এছাড়াও আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক ভালো জার্নাল প্রকাশ, লেখালেখির কারণে অভ্যন্তরীণ বিভাগীয় রাজনীতির শিকার বলে আদালতে উল্লেখ করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।