ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: স্বস্তিতে লক্ষ্মীপুরের জেলেরা, মাছ শিকারে ফিরছেন তারা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার জেলেরা দীর্ঘ দুই মাস পর মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে ফিরতে প্রস্তুত। সরকারি নিষেধাজ্ঞা গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টায় শেষ হওয়ায় মধ্যরাত থেকেই তারা নদীতে নামবেন। নদীতে নামার প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের নৌকা, জাল ও সরঞ্জাম মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল। এই সময়ে রামগতিতে প্রায় ২১ হাজার ৫০০ এবং কমলনগরে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ নিবন্ধিত জেলে সরকারি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন।

অনেক জেলে সরকারি সহায়তা পেয়ে নিষেধাজ্ঞার সময়টুকু পার করলেও কিছু জেলে অভিযোগ করেছেন যে তারা কোনো সহায়তা পাননি। এতে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে সরকারি বরাদ্দের শতভাগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রামগতি-কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা শতভাগ কার্যকর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেরা এখন নদীতে মাছ ধরতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির গেজেট প্রকাশ, শপথের প্রস্তুতি

মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: স্বস্তিতে লক্ষ্মীপুরের জেলেরা, মাছ শিকারে ফিরছেন তারা

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার জেলেরা দীর্ঘ দুই মাস পর মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে ফিরতে প্রস্তুত। সরকারি নিষেধাজ্ঞা গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টায় শেষ হওয়ায় মধ্যরাত থেকেই তারা নদীতে নামবেন। নদীতে নামার প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের নৌকা, জাল ও সরঞ্জাম মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল। এই সময়ে রামগতিতে প্রায় ২১ হাজার ৫০০ এবং কমলনগরে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ নিবন্ধিত জেলে সরকারি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন।

অনেক জেলে সরকারি সহায়তা পেয়ে নিষেধাজ্ঞার সময়টুকু পার করলেও কিছু জেলে অভিযোগ করেছেন যে তারা কোনো সহায়তা পাননি। এতে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে সরকারি বরাদ্দের শতভাগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রামগতি-কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা শতভাগ কার্যকর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেরা এখন নদীতে মাছ ধরতে পারবেন।