বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রের মোড়কে এক ধরনের ‘পারিবারিক রাজতন্ত্র’ চর্চিত হচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। নব্বইয়ের দশকের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ক্ষমতায় আসা প্রধান দলগুলোর নেতৃত্বে যেভাবে বংশানুক্রমিক আধিপত্য বজায় রয়েছে, তা অনেকটা রাজতান্ত্রিক ধারারই প্রতিফলন। এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে নির্দিষ্ট পরিবার, যা প্রকৃত গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
প্রথাগত রাজতন্ত্রের চেয়েও এই ব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রে জটিল ও শক্তিশালী। এর কারণ হলো, গণতান্ত্রিক কাঠামোর বৈধতাকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। বিশাল কর্মী বাহিনী ও দলীয় রাজনীতির প্রভাব কাজে লাগিয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সব স্তরে আধিপত্য বিস্তার করা হয়। এই কাঠামোগত ক্ষমতার দাপট কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দমনেই ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি শাখাকে দলীয়করণের মাধ্যমে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে, যা শেষ পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
রিপোর্টারের নাম 
























