পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের হাত ধরে বর্তমানে এক ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘কিশোর গ্যাং’ সংস্কৃতি। নগরের অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ—সবখানেই একদল কিশোর আধিপত্য বিস্তার ও উগ্র আচরণের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। তুচ্ছ কারণে অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া এবং সহিংসতায় জড়িয়ে পড়া এই কিশোরদের ভবিষ্যৎ আজ চরম সংকটের মুখে।
সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে নৃশংস খুনের ঘটনাগুলো সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। মোহাম্মদপুরে ছিনতাই করা মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে এক গ্রুপের প্রধানকে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্যরা নির্মমভাবে হত্যা করে। অন্যদিকে, চট্টগ্রামে বিএএফ শাহীন কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদকেও প্রাণ দিতে হয়েছে এই গ্যাং সংস্কৃতির বলি হয়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বীকৃতির আকাঙ্ক্ষা, একাকীত্ব এবং সঠিক নির্দেশনার অভাবে কিশোররা অপরাধের এই অন্ধকার গলিতে হারিয়ে যাচ্ছে। কেবল আইনি পদক্ষেপ দিয়ে এই সংকট সমাধান সম্ভব নয়; বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। কিশোরদের সুস্থ বিনোদন ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করাই হতে পারে এই পথ থেকে তাদের ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায়।
রিপোর্টারের নাম 























