ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে জালিয়াতি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক আদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম ডি নাসির উদ্দিন, বুধল ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, কসবা উপজেলার কুটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম এবং আশুগঞ্জের চরচারতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার তারা এই আদেশ হাতে পেয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনায় চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর চারজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন—কাজী তাজউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মো. হাসান ভূঁইয়া ও মো. রাসেল মাহমুদ। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে এমন জালিয়াতির ঘটনায় প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হিজবুল্লাহর আর্থিক নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে জালিয়াতি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

আপডেট সময় : ১০:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক আদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম ডি নাসির উদ্দিন, বুধল ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, কসবা উপজেলার কুটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম এবং আশুগঞ্জের চরচারতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার তারা এই আদেশ হাতে পেয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনায় চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর চারজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন—কাজী তাজউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মো. হাসান ভূঁইয়া ও মো. রাসেল মাহমুদ। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে এমন জালিয়াতির ঘটনায় প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।