ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বড় অংশ বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন যে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জিডিপির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, একটি স্বনির্ভর ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন অপরিহার্য।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ও তাদের সম্মানী বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ এই খাতে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

কৃষিখাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে তাদের সব ধরনের সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য। ধান চাষি থেকে শুরু করে মৎস্য ও গবাদি পশু পালনকারী—সবাইকে এই কার্ডের আওতায় এনে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বড় অংশ বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বড় অংশ বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন যে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জিডিপির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, একটি স্বনির্ভর ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন অপরিহার্য।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ও তাদের সম্মানী বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ এই খাতে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

কৃষিখাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে তাদের সব ধরনের সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য। ধান চাষি থেকে শুরু করে মৎস্য ও গবাদি পশু পালনকারী—সবাইকে এই কার্ডের আওতায় এনে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।