ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দম্পতি হত্যা: লাশ গুমের উপায় চ্যাটজিপিটিতে খুঁজেছিলেন ঘাতক রুমমেট

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উচ্চশিক্ষারত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। ঘাতক হিশামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফ্লোরিডার আদালত তাকে জামিনহীন কারাদণ্ড দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যার কয়েক দিন আগে থেকেই হিশাম অনলাইন শপিং সাইট অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ, ময়লার ব্যাগ এবং আগুন জ্বালানোর সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, হিশাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটজিপিটির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, কোনো মানুষকে কালো ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দিলে কী হতে পারে এবং পুলিশ তা কীভাবে শনাক্ত করবে। এই ডিজিটাল প্রমাণগুলোই এখন মামলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে লিমন ও বৃষ্টির সঙ্গে তাদের বন্ধু-বান্ধবদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে বৃষ্টিকে শেষবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হলেও বৃষ্টির মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহর এমন নৃশংস কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং দেশের স্বজনদের মাঝে শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় গাছ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ: ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দম্পতি হত্যা: লাশ গুমের উপায় চ্যাটজিপিটিতে খুঁজেছিলেন ঘাতক রুমমেট

আপডেট সময় : ১১:১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উচ্চশিক্ষারত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। ঘাতক হিশামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফ্লোরিডার আদালত তাকে জামিনহীন কারাদণ্ড দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যার কয়েক দিন আগে থেকেই হিশাম অনলাইন শপিং সাইট অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ, ময়লার ব্যাগ এবং আগুন জ্বালানোর সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, হিশাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটজিপিটির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, কোনো মানুষকে কালো ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দিলে কী হতে পারে এবং পুলিশ তা কীভাবে শনাক্ত করবে। এই ডিজিটাল প্রমাণগুলোই এখন মামলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে লিমন ও বৃষ্টির সঙ্গে তাদের বন্ধু-বান্ধবদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে বৃষ্টিকে শেষবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হলেও বৃষ্টির মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহর এমন নৃশংস কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং দেশের স্বজনদের মাঝে শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।