ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে সাগরে অভিযান: ৯০০ বস্তা সিমেন্টসহ পাচারকারী চক্রের ১৪ সদস্য আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯০০ বস্তা সিমেন্টসহ একটি ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় পাচারকাজে জড়িত ১৩ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা আজিম উল্লাহকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টেকনাফ বিসিজি স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ডের লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর সমুদ্রে একটি সন্দেহভাজন ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া এই বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট জব্দ করা হয়। পাচারকারী চক্রের মূল হোতা আজিম উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মিয়ানমারের আরকান আর্মির কাছে সরবরাহ করে আসছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মিয়ানমারে অবস্থানরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে চাহিদাপত্র সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম ও হাতিয়ার বিভিন্ন অসাধু বোট মালিকদের সহায়তায় এই পাচার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নীতিমালা: ডিএসসিসি প্রশাসক

টেকনাফে সাগরে অভিযান: ৯০০ বস্তা সিমেন্টসহ পাচারকারী চক্রের ১৪ সদস্য আটক

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯০০ বস্তা সিমেন্টসহ একটি ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় পাচারকাজে জড়িত ১৩ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা আজিম উল্লাহকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টেকনাফ বিসিজি স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ডের লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর সমুদ্রে একটি সন্দেহভাজন ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া এই বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট জব্দ করা হয়। পাচারকারী চক্রের মূল হোতা আজিম উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মিয়ানমারের আরকান আর্মির কাছে সরবরাহ করে আসছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মিয়ানমারে অবস্থানরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে চাহিদাপত্র সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম ও হাতিয়ার বিভিন্ন অসাধু বোট মালিকদের সহায়তায় এই পাচার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।