ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কুতুবদিয়ায় সাগরের তীব্র ভাঙন: বিলীন হওয়ার শঙ্কায় দেড়শ পরিবার

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়নে সমুদ্রের অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কয়েকশ মানুষ। ইউনিয়নের রোমাইপাড়া ও সাইটপাড়া গ্রামের অন্তত ১৫০টি পরিবার বর্তমানে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী সপ্তাহে পূর্ণিমার জোয়ারে সাগরের পানির উচ্চতা বাড়লে লোনাপানি লোকালয়ে ঢুকে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ভাঙন রোধে এর আগে নামমাত্র যেসব জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল, সেগুলো ছিল আকারে অত্যন্ত ছোট। ফলে জোয়ারের পানির তোড়ে সেগুলো সহজেই ছিঁড়ে গিয়ে সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। টেকসই ও বড় আকারের জিও ব্যাগ ব্যবহার না করলে এই মুহূর্তে জনপদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে ভাঙনের কবলে পড়ে সাইটপাড়া জামে মসজিদটি সাগরে তলিয়ে গেছে।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোয়ারের পানি বাড়লে জেলে পল্লীর এই পরিবারগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। আসন্ন পূর্ণিমার আগেই জরুরি ভিত্তিতে বেড়িবাঁধ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জানান, কুতুবদিয়ায় একটি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে বর্ষা মৌসুমের আগেই ভাঙনকবলিত স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভিতে আজকের খেলা: বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের নারী টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময়সূচি

কুতুবদিয়ায় সাগরের তীব্র ভাঙন: বিলীন হওয়ার শঙ্কায় দেড়শ পরিবার

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়নে সমুদ্রের অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কয়েকশ মানুষ। ইউনিয়নের রোমাইপাড়া ও সাইটপাড়া গ্রামের অন্তত ১৫০টি পরিবার বর্তমানে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী সপ্তাহে পূর্ণিমার জোয়ারে সাগরের পানির উচ্চতা বাড়লে লোনাপানি লোকালয়ে ঢুকে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ভাঙন রোধে এর আগে নামমাত্র যেসব জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল, সেগুলো ছিল আকারে অত্যন্ত ছোট। ফলে জোয়ারের পানির তোড়ে সেগুলো সহজেই ছিঁড়ে গিয়ে সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। টেকসই ও বড় আকারের জিও ব্যাগ ব্যবহার না করলে এই মুহূর্তে জনপদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে ভাঙনের কবলে পড়ে সাইটপাড়া জামে মসজিদটি সাগরে তলিয়ে গেছে।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোয়ারের পানি বাড়লে জেলে পল্লীর এই পরিবারগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। আসন্ন পূর্ণিমার আগেই জরুরি ভিত্তিতে বেড়িবাঁধ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জানান, কুতুবদিয়ায় একটি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে বর্ষা মৌসুমের আগেই ভাঙনকবলিত স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।