ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

শ্রেণিকক্ষ সংকটে বারান্দায় পাঠদান: সিরাজগঞ্জের এক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চণ্ডীপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র অবকাঠামো সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকেও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মিত না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বারান্দার মেঝেতে বসে পাঠ গ্রহণ করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১২৩ জন শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র তিনটি কক্ষ রয়েছে, যার একটি আবার প্রধান শিক্ষকের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। জায়গার অভাবে অফিস কক্ষেই একদিকে দাপ্তরিক কাজ চলে, অন্যদিকে চলে পাঠদান। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী কেউই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না। বারান্দায় গাদাগাদি করে বসে ক্লাস করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিশুরা।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে এবং এই বিদ্যালয়টিকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মিত না হলে শিক্ষার মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড: অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে – ডিসি ফরিদা খানম

শ্রেণিকক্ষ সংকটে বারান্দায় পাঠদান: সিরাজগঞ্জের এক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চণ্ডীপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র অবকাঠামো সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকেও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মিত না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বারান্দার মেঝেতে বসে পাঠ গ্রহণ করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১২৩ জন শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র তিনটি কক্ষ রয়েছে, যার একটি আবার প্রধান শিক্ষকের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। জায়গার অভাবে অফিস কক্ষেই একদিকে দাপ্তরিক কাজ চলে, অন্যদিকে চলে পাঠদান। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী কেউই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না। বারান্দায় গাদাগাদি করে বসে ক্লাস করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিশুরা।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে এবং এই বিদ্যালয়টিকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মিত না হলে শিক্ষার মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।