ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রশান্ত মহাসাগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ফের মার্কিন হামলা, নিহত ৩

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক চোরাচালানকারী সন্দেহে একটি নৌযানে পুনরায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তারা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) এক বার্তায় জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌযানটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল এবং এটি নিয়মিত মাদক পাচারের রুটে চলাচল করত।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মার্কিন বাহিনী এ ধরনের বেশ কিছু হামলা চালিয়েছে। এএফপির সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, এই ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৮৫ জনে পৌঁছেছে। তবে রোববারের এই হামলায় কোনো মার্কিন সামরিক সদস্য আহত হননি বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এসব হামলার সপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় আইনি ও মানবাধিকার মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এবং তাৎক্ষণিক হুমকি না থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের হামলা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত দফার নির্বাচন: শেষ দিনের প্রচারণায় তারকার হাট ও রাজনৈতিক উত্তাপ

প্রশান্ত মহাসাগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ফের মার্কিন হামলা, নিহত ৩

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক চোরাচালানকারী সন্দেহে একটি নৌযানে পুনরায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তারা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) এক বার্তায় জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌযানটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল এবং এটি নিয়মিত মাদক পাচারের রুটে চলাচল করত।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মার্কিন বাহিনী এ ধরনের বেশ কিছু হামলা চালিয়েছে। এএফপির সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, এই ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৮৫ জনে পৌঁছেছে। তবে রোববারের এই হামলায় কোনো মার্কিন সামরিক সদস্য আহত হননি বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এসব হামলার সপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় আইনি ও মানবাধিকার মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এবং তাৎক্ষণিক হুমকি না থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের হামলা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হতে পারে।