ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ও ৬০ দিনের সময়সীমা: মার্কিন আইনের বেড়াজালে হোয়াইট হাউস

ভিয়েতনাম যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন কংগ্রেস প্রণীত ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজল্যুশন’ আইনটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কোনো দেশে সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এই সময়সীমা পার হওয়ার পর যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে হলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক সম্মতি বাধ্যতামূলক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে বিষয়টি অবহিত করে। সেই হিসেবে আগামী ১ মে এই ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, সংবিধানপ্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে তিনি এই সেনা মোতায়েন করেছেন, তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন নির্দিষ্ট সময়ের পর নতুন করে সেনা মোতায়েন বা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে তাকে আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি হতেই হবে।

আইন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে এর যৌক্তিকতা ও সময়সীমা সম্পর্কে কংগ্রেসকে জানাতে হয়। ট্রাম্প অতিরিক্ত ৩০ দিনের সময় বৃদ্ধির সুযোগ পেলেও তাকে প্রমাণ করতে হবে যে সেনাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য এই সময় প্রয়োজন। তবে সময় গণনার শুরু নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতভেদ থাকায় ডেডলাইন নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে তিনি কোনো তাড়াহুড়ো বা দুর্বল চুক্তি করবেন না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভিতে আজকের খেলা: বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের নারী টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময়সূচি

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ও ৬০ দিনের সময়সীমা: মার্কিন আইনের বেড়াজালে হোয়াইট হাউস

আপডেট সময় : ১২:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ভিয়েতনাম যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন কংগ্রেস প্রণীত ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজল্যুশন’ আইনটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কোনো দেশে সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এই সময়সীমা পার হওয়ার পর যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে হলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক সম্মতি বাধ্যতামূলক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে বিষয়টি অবহিত করে। সেই হিসেবে আগামী ১ মে এই ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, সংবিধানপ্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে তিনি এই সেনা মোতায়েন করেছেন, তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন নির্দিষ্ট সময়ের পর নতুন করে সেনা মোতায়েন বা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে তাকে আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি হতেই হবে।

আইন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে এর যৌক্তিকতা ও সময়সীমা সম্পর্কে কংগ্রেসকে জানাতে হয়। ট্রাম্প অতিরিক্ত ৩০ দিনের সময় বৃদ্ধির সুযোগ পেলেও তাকে প্রমাণ করতে হবে যে সেনাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য এই সময় প্রয়োজন। তবে সময় গণনার শুরু নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতভেদ থাকায় ডেডলাইন নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে তিনি কোনো তাড়াহুড়ো বা দুর্বল চুক্তি করবেন না।