আগামী ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই দফায় রাজ্যের ১৪২টি আসনে লড়াই হবে। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিন হওয়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির হাইভোল্টেজ প্রচারণায় রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে।
তৃণমূলের পক্ষে হেভিওয়েটদের ভিড়
শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচনী ময়দান কাঁপাতে দেখা গেছে জাতীয় রাজনীতির একাধিক হেভিওয়েট নেতাকে। দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বিহারের আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব তৃণমূলের হয়ে প্রচারণায় অংশ নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও মমতা ব্যানার্জী ও অভিষেক ব্যানার্জীর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন হাওড়ার প্রার্থীর সমর্থনে রোড শো’তে অংশ নেন। বিনোদন জগৎ থেকেও দেব, শুভশ্রী গাঙ্গুলী এবং বলিউড অভিনেত্রী মান্দাকিনী প্রচারণায় গ্ল্যামার যোগ করেছেন।
বিজেপির তারকাখচিত প্রচারণা
পিছিয়ে নেই বিজেপিও। তাদের প্রার্থীদের সমর্থনে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে জনসভা করছেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, রাজনাথ সিং এবং স্মৃতি ইরানির মতো হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও বিজেপির হয়ে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। মিঠুন চক্রবর্তী, রবি কিষান ও মনোজ তিওয়ারির মতো তারকা সাংসদদের উপস্থিতি বিজেপির প্রচারণাকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।
ভোটারদের উপস্থিতির দিকে নজর
প্রথম দফার নির্বাচনে ৯০ শতাংশের বেশি অভাবনীয় ভোট পড়ায় দ্বিতীয় দফায় ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। ২৯ এপ্রিল এই ১৪২টি আসনে কত শতাংশ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তার ওপরই নির্ভর করছে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজনৈতিক গতিপথ। শেষ দিনের এই রুদ্ধশ্বাস প্রচারণা ও তারকাদের উপস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলকে কতটা প্রভাবিত করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 























