ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলায় বাঘা শরীফ চ্যাম্পিয়ন, প্রথমবারের মতো সরাসরি সম্প্রচার

চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ঐতিহাসিক আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর। দেশের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতায় ১০৮ জন বলীর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরীফ। দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে টানা ১২ বছরের মতো এই আয়োজনে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।

বন্দরনগরীর এই জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে লালদীঘি ময়দানে জড়ো হয়েছিলেন অগণিত দর্শক। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল রাউন্ডে বাঘা শরীফ কুমিল্লা থেকে আগত রাশেদ বলীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা জিতে নেন। চ্যাম্পিয়ন বলীকে ৩০ হাজার টাকা এবং রানারআপ বলীকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “জব্বারের বলীখেলা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজনই নয়, এই বলীখেলা আমাদের পরিচয়ের অংশ এবং শতাধিক বছর ধরে টিকে থাকা ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।”

বলী ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলালিংকসহ অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বলীরা অংশগ্রহণ করেন। বাংলালিংক দেশের গ্রাহকদের জন্য সেবার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রচারে তাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার কথা জানিয়েছে। এ বছর প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক এই আয়োজন দেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম টফিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যা বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়েছে।

বাংলালিংকের ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর সৈয়দ হোসেন চৌধুরী বলেন, “এ আয়োজনের সঙ্গে আমাদের এক যুগের অংশীদারিত্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী খেলাকে প্রচারে আলোতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলালিংক আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে চায়।” ১৯০৯ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই বলীখেলার সূচনা করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরের মতলবে মাদকবিরোধী সমাবেশ

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলায় বাঘা শরীফ চ্যাম্পিয়ন, প্রথমবারের মতো সরাসরি সম্প্রচার

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ঐতিহাসিক আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর। দেশের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতায় ১০৮ জন বলীর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরীফ। দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে টানা ১২ বছরের মতো এই আয়োজনে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।

বন্দরনগরীর এই জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে লালদীঘি ময়দানে জড়ো হয়েছিলেন অগণিত দর্শক। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল রাউন্ডে বাঘা শরীফ কুমিল্লা থেকে আগত রাশেদ বলীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা জিতে নেন। চ্যাম্পিয়ন বলীকে ৩০ হাজার টাকা এবং রানারআপ বলীকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “জব্বারের বলীখেলা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজনই নয়, এই বলীখেলা আমাদের পরিচয়ের অংশ এবং শতাধিক বছর ধরে টিকে থাকা ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।”

বলী ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলালিংকসহ অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বলীরা অংশগ্রহণ করেন। বাংলালিংক দেশের গ্রাহকদের জন্য সেবার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রচারে তাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার কথা জানিয়েছে। এ বছর প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক এই আয়োজন দেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম টফিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যা বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়েছে।

বাংলালিংকের ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর সৈয়দ হোসেন চৌধুরী বলেন, “এ আয়োজনের সঙ্গে আমাদের এক যুগের অংশীদারিত্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী খেলাকে প্রচারে আলোতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলালিংক আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে চায়।” ১৯০৯ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই বলীখেলার সূচনা করেছিলেন।