ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

আজহারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভুয়া বিজ্ঞাপন: এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার, ১০ জন গ্রেপ্তার

জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কণ্ঠ, চেহারা ও নাম ব্যবহার করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি ও ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি স্মার্ট মোবাইলফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিম এবং বিপুল পরিমাণে যৌন উত্তেজক অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপির মতিঝিল অঞ্চলের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম ও ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন চন্দ্রিমা মডেল টাউনস্থ এভিনিউ-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কণ্ঠ ও চেহারা নকল করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ড. মিজানুর রহমান আজহারী প্রথম এসব ভুয়া ভিডিও দেখতে পান এবং পরে তার ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেন। এরপর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পক্ষে আমমোক্তারনামা নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যার প্রেক্ষিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইল ইস্যুতে লেবাননে গভীর বিভেদ: মুখোমুখি সরকার ও হিজবুল্লাহ

আজহারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভুয়া বিজ্ঞাপন: এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার, ১০ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কণ্ঠ, চেহারা ও নাম ব্যবহার করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি ও ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি স্মার্ট মোবাইলফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিম এবং বিপুল পরিমাণে যৌন উত্তেজক অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপির মতিঝিল অঞ্চলের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম ও ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন চন্দ্রিমা মডেল টাউনস্থ এভিনিউ-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কণ্ঠ ও চেহারা নকল করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ড. মিজানুর রহমান আজহারী প্রথম এসব ভুয়া ভিডিও দেখতে পান এবং পরে তার ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেন। এরপর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পক্ষে আমমোক্তারনামা নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যার প্রেক্ষিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।