ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা ট্যাকসেস বার নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের ২০২৬/২৭ কার্যবর্ষের নির্বাচনে গঠিত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও একপেশে ভূমিকার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ট্যাকসেসবার বিভাগের অফিস সম্পাদক এএমএম সালাহ উদ্দীন আইয়ুবী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একপাক্ষিক নির্বাচন কমিশন গঠন, জাল ভোটের প্রচেষ্টা, আচরণবিধি লঙ্ঘন, নির্বাচন কমিশন সদস্য কর্তৃক পক্ষপাতিত্ব ও পর্যবেক্ষকদের কাজে বাধা প্রদান এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তারের মতো ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ল’ইয়াস কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল এবং এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তবে, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল দলীয় প্রভাব বিস্তার করে এসোসিয়েশনের সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করেছে বলে সবুজ প্যানেলের অভিযোগ। নির্বাচনের শুরু থেকে প্রতিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই সবুজ প্যানেল এটিকে একটি প্রহসনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইল ইস্যুতে লেবাননে গভীর বিভেদ: মুখোমুখি সরকার ও হিজবুল্লাহ

ঢাকা ট্যাকসেস বার নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের ২০২৬/২৭ কার্যবর্ষের নির্বাচনে গঠিত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও একপেশে ভূমিকার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ট্যাকসেসবার বিভাগের অফিস সম্পাদক এএমএম সালাহ উদ্দীন আইয়ুবী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একপাক্ষিক নির্বাচন কমিশন গঠন, জাল ভোটের প্রচেষ্টা, আচরণবিধি লঙ্ঘন, নির্বাচন কমিশন সদস্য কর্তৃক পক্ষপাতিত্ব ও পর্যবেক্ষকদের কাজে বাধা প্রদান এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তারের মতো ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ল’ইয়াস কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল এবং এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তবে, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল দলীয় প্রভাব বিস্তার করে এসোসিয়েশনের সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করেছে বলে সবুজ প্যানেলের অভিযোগ। নির্বাচনের শুরু থেকে প্রতিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই সবুজ প্যানেল এটিকে একটি প্রহসনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করেছে।